হাঁপানি (Asthma) – শ্বাসকষ্ট, সাঁই সাঁই শব্দ।
ব্রঙ্কাইটিস (Bronchitis) – কাশি, কফ, বুক ভারী লাগা।
নিউমোনিয়া (Pneumonia) – কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুকের ব্যথা।
টিউবারকিউলোসিস (TB) – দীর্ঘদিনের কাশি, রক্ত কাশি, ওজন কমা।
COPD – দীর্ঘদিন ধূমপান করলে শ্বাসের রোগ।
ধূমপান ও ধোঁয়া একেবারেই পরিহার করুন।
পরিষ্কার বাতাসে থাকতে চেষ্টা করুন – ধুলোবালি এড়াতে মাস্ক ব্যবহার করুন।
প্রচুর পানি পান করুন, শরীর আর্দ্র রাখুন।
সুষম খাদ্য ও ভিটামিন–সি সমৃদ্ধ খাবার (কমলা, লেবু, পেয়ারা ইত্যাদি) খান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
হালকা ব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন (breathing exercise) করুন, তবে অতিরিক্ত চাপ নিবেন না।
বাষ্প (steam inhalation) নিলে কাশি ও কফ কমে।
অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান যদি –
কাশি ২ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়।
শ্বাস নিতে অতিরিক্ত কষ্ট হয় বা শ্বাস বন্ধ হয়ে আসার মতো লাগে।
কাশির সাথে রক্ত আসে।
বুকের ব্যথা বা চাপ অনুভব করেন।
উচ্চ জ্বর, রাতের ঘাম, ওজন দ্রুত কমে যায়।
ধূমপান একেবারে বন্ধ করুন এবং পরোক্ষ ধূমপান থেকেও দূরে থাকুন।
ধুলোবালি, ধোঁয়া, গন্ধযুক্ত রাসায়নিক (পেইন্ট, স্প্রে ইত্যাদি) এড়িয়ে চলুন।
বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘর পরিষ্কার ও বাতাস চলাচল উপযোগী রাখুন।
প্রচুর গরম বা কুসুম গরম পানি পান করুন।
ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খান – লেবু, কমলা, পেয়ারা, আমলকি।
প্রোটিন ও সবজি বেশি খান – ডাল, মাছ, ডিম, শাকসবজি।
তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া ও ঠান্ডা পানীয় কমিয়ে দিন।
গরম পানির ভাপ (steam inhalation) নিন দিনে ১–২ বার, এতে কফ নরম হয়।
গরম পানির সাথে আদা, মধু, লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন (কাশি কমাতে সহায়ক)।
নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম করুন (গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন)।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম নিশ্চিত করুন।
অতিরিক্ত কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বুক ব্যথা হলে দেরি না করে ডাক্তার দেখান।
নিজে থেকে ওষুধ (বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক/স্টেরয়েড) খাওয়া উচিত নয়।
জ্বর বা কাশির জন্য সাধারণ পেইন রিলিভার/প্যারাসিটামল নেওয়া যেতে পারে, তবে নিয়ম মেনে।