শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন

সুইডেন যাওয়ার নিয়ম

স্টাফ রিপোর্টারঃ / ২৮ বার
আপডেট টাইমঃ শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন

✅ সুইডেন যাওয়ার সাধারণ নিয়ম

1. পাসপোর্ট

  • বৈধ MRP বা ই-পাসপোর্ট থাকতে হবে।

  • মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।

2. ভিসার ধরন নির্বাচন

আপনি কেন সুইডেন যেতে চান তার ওপর নির্ভর করবে ভিসার ধরন:

  • স্টুডেন্ট ভিসা (Residence Permit for Study) – পড়াশোনার জন্য।

  • ওয়ার্ক ভিসা (Work Permit) – চাকরির জন্য।

  • শেনজেন ভিসা (Tourist/Visit Visa) – ভ্রমণের জন্য, সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

  • বিজনেস ভিসা – ব্যবসা/মিটিং/কনফারেন্সের জন্য।

  • ‍‍ ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা – পরিবারের সাথে থাকতে চাইলে।

3. সাধারণ কাগজপত্র (ভিসা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে)

  • পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফরম।

  • বৈধ পাসপোর্ট।

  • সাম্প্রতিক বায়োমেট্রিক ছবি।

  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট (আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ)।

  • ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (শেনজেন ভিসার জন্য বাধ্যতামূলক)।

  • ফ্লাইট বুকিং + হোটেল বুকিং (ভ্রমণ ভিসার জন্য)।

  • আমন্ত্রণপত্র (স্টাডি/ওয়ার্ক/ফ্যামিলি ভিসার ক্ষেত্রে)।

4. ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

  • বাংলাদেশে সুইডেন দূতাবাস নেই, তাই সাধারণত Sweden Visa Application Center (VFS Global, Dhaka) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।

  • অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

  • বায়োমেট্রিকস + সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে।

  • ভিসা প্রসেসিং টাইম –

    • শেনজেন ভিসা: সাধারণত ১৫–৩০ দিন।

    • স্টুডেন্ট/ওয়ার্ক ভিসা: ২–৪ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

5. সুইডেনে পৌঁছানোর পর

  • যদি লং-টার্ম ভিসা (স্টাডি/ওয়ার্ক) পান, তবে পৌঁছে Residence Permit Card সংগ্রহ করতে হয়।

  • স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে টিউশন ফি প্রদানের প্রমাণ ও স্বাস্থ্য বীমা থাকতে হয়।


⚠️ গুরুত্বপূর্ণ টিপস

  • স্টুডেন্ট ভিসার জন্য বছরে কমপক্ষে SEK 103,000+ (প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি) ব্যাংকে প্রমাণ দেখাতে হয় (লিভিং কস্টের জন্য)।

  • ভিসার ফি নন-রিফান্ডেবল।

  • সব ডকুমেন্ট অবশ্যই সত্যি হতে হবে, ভুয়া কাগজপত্র দিলে ব্ল্যাকলিস্ট হতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *