শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
বৈধ MRP বা ই-পাসপোর্ট থাকতে হবে।
মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
আপনি কেন সুইডেন যেতে চান তার ওপর নির্ভর করবে ভিসার ধরন:
স্টুডেন্ট ভিসা (Residence Permit for Study) – পড়াশোনার জন্য।
ওয়ার্ক ভিসা (Work Permit) – চাকরির জন্য।
শেনজেন ভিসা (Tourist/Visit Visa) – ভ্রমণের জন্য, সর্বোচ্চ ৯০ দিন।
বিজনেস ভিসা – ব্যবসা/মিটিং/কনফারেন্সের জন্য।
ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা – পরিবারের সাথে থাকতে চাইলে।
পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফরম।
বৈধ পাসপোর্ট।
সাম্প্রতিক বায়োমেট্রিক ছবি।
ব্যাংক স্টেটমেন্ট (আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ)।
ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (শেনজেন ভিসার জন্য বাধ্যতামূলক)।
ফ্লাইট বুকিং + হোটেল বুকিং (ভ্রমণ ভিসার জন্য)।
আমন্ত্রণপত্র (স্টাডি/ওয়ার্ক/ফ্যামিলি ভিসার ক্ষেত্রে)।
বাংলাদেশে সুইডেন দূতাবাস নেই, তাই সাধারণত Sweden Visa Application Center (VFS Global, Dhaka) এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
বায়োমেট্রিকস + সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে।
ভিসা প্রসেসিং টাইম –
শেনজেন ভিসা: সাধারণত ১৫–৩০ দিন।
স্টুডেন্ট/ওয়ার্ক ভিসা: ২–৪ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
যদি লং-টার্ম ভিসা (স্টাডি/ওয়ার্ক) পান, তবে পৌঁছে Residence Permit Card সংগ্রহ করতে হয়।
স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে টিউশন ফি প্রদানের প্রমাণ ও স্বাস্থ্য বীমা থাকতে হয়।
স্টুডেন্ট ভিসার জন্য বছরে কমপক্ষে SEK 103,000+ (প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি) ব্যাংকে প্রমাণ দেখাতে হয় (লিভিং কস্টের জন্য)।
ভিসার ফি নন-রিফান্ডেবল।
সব ডকুমেন্ট অবশ্যই সত্যি হতে হবে, ভুয়া কাগজপত্র দিলে ব্ল্যাকলিস্ট হতে পারেন।